প্যান্ট খোল নইলে আমি

আমার ময়নার নাম বাসোনা। বয়স ২১-২২বছর। লম্বায় ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি হবে। কাকি একজন গৃহিণী।
কাকি দেখতে যেমন সুন্দরী তেমনি সেক্সি।কাকির দুদ দুটি যেন একদম ডাব।কাকির বুকের মাপ 33 ইঞ্চি।ইয়া বড় বড় দুদ দুটি নিয়ে কাকি সারাদিন কাজ করেন। কাকির পাছা ঠিক পাছার মাপ হবে ৩৬ ৩৭ ইঞ্চি।ওই পাছা দুলিয়ে কাকি যখন হাঁটেন তখন মনে হয় সারা জাহান দুলছে।
কাকির পাছার দুলুনি দেখলে যে কারো মাথা খারাপ হয়ে যাবে।কাকির পেট এবং পিঠটাও জটিল সেক্সি।কাকির নাভিটা ঠিক কুয়ার মত।নাভি তো নয় যেন পেটের মধ্যে বিশাল গিরিখাত।এইবার আসি আসল জিনিসে।কাকির ভোদার
কথা কি আর বলব। এই ভোদা যে দেখবে না সে কোন দিনই বুঝবেনা ভোদা কাকে বলে। কাকির ভোদা সবসময় পরিষ্কার থাকে মানে বাল সেভ করা থাকে। এই বয়সেও কাকির ভোদা টাইট। কারন কাকি এখন তিন বাচ্চার মা। হয়নি তবুও কাকির ভোদার মত ভোদা আমি আজ পর্যন্ত দেখিনি।আজ পর্যন্ত এই ভোদাটি আমার কাছে এতই স্পেশাল যে আমি যখন অন্য ভোদার কাছে যাই তখনও আমি কাকির ভোদার কথা ভুলতে পারি না। কাকির এই বর্ণনা পেয়ে অনেকেই মনে করবেন কাকি অনেক মোটা। কিন্তু কাকি আসলেই মোটা নন। কাকির বডি ফিগার এভারেজ।কিন্তু এই ফিগার দেখলে যে কোন যুবকের মাথা খারাপ হয়ে যাবে। এইবার আসি চোদাচুদির ঘটনায়। আজ থেকে ৪ বছর আগের কথা। আমার বয়স তখন ১৭ বছর আর কাকির হবে ১৭-১৮ বছর ।তখন আমি intermediate 2nd year এ পড়ি।আমি থাকতাম ঢাকায়। সেইবার 1st year final পরীক্ষা দিয়ে ছুটিতে আমি দেশের বাড়িতে গেলাম।বাড়ি গিয়েই আমি কাকিকে চোদার মত কাজ করে বসলাম। সত্যি কথা বলতে আমি আগে থেকেই কাকির প্রতি দুর্বল ছিলাম। কাকি কে দেখলেইআমার ধন টং করে খাড়া হয়ে যেত। সত্যি কথা বলতে জীবনে যেই মেয়েকে দেখে আমি প্রথম উত্তেজিত হই সে হল আমার কাকি। সেইবার বাড়িতে গিয়ে একদিন সকালে আমি নাস্তা খাচ্ছিলাম।নাস্তা খেতে খেতে আমি পিসি তে মুভি দেখতেছিলাম। তো হঠাৎ আমার দরজায় টোকা পড়লো। আমি গিয়ে দরজা খুলে দেখি আমার বড় কাকি এসেছেন। কাকিকে দেখে আমি মোটামুটি বিস্মিত
হলাম কারন এত সকালে তিনি আসার কথা নয়। আমি কাকি ভিতরে আস্তে বললাম। তারপর কাকিকে জিজ্ঞেস করলাম,”কাকি আপনি হঠাৎ আমাদের বাড়ি?” কাকিঃ”কেন তুমি জাননা আজকে সবার দাওয়াত
তোমার খালাদের বাড়ি?” আমিঃ”কই মা তো আমাকে কিছু বলেনি?” কাকিঃ”হ্যাঁ, আজকে আমাদের সবার
দাওয়াত তাই আমি তোমাদের সাথে একসাথে যাব বলে তোমাদের বাড়ি এলাম।” আমিঃ”খুব ভালো
করেছেন।” কাকি”তুমি কি কর?” আমিঃ”এইত নাস্তা খাই আর মুভি দেখি?” কাকি”কি মুভি?”আমিঃ”ইংলিশ মুভি।” কাকি এইসব মুভি কেন দেখ? এইগুলাতে শিখার কিছু আছে?” আমিঃ”শিখার অনেক কিছু আছে।”
এই সময় হঠাৎ মুভিতে কিসস এর দৃশ্য চলে এল।আমি হঠাৎ বন্ধ করে দিতে গেলে কাকি আমাকে বললেন,” বন্ধ কর কেন?এইটা খারাপ কি?” আমিঃ”আইটা তো খারাপ জিনিশ।” কাকি”কে বললএইটা খারাপ জিনিশ?” আমিঃ”তাহলে কি মুভি চলবে?” কাকি”চলুক,আমিও দেখব।” এরপর আমার নাস্তা খাওয়া শেষ হলে কাকি আমাকে বলেন তার মেমোরি কার্ডে গান লোড করে দিতে।কাকির কথা শুনে আমি খুশি হয়ে যাই।মামীর মেমোরি তে গান লোড করে দেওয়ার সময় আমি ইচ্ছা করেই কিছু 3X ভিডিও লোড করে দেই। মেমোরি কার্ড লোড করার পর কাকি চলে গেলেন।তখন থেকে আমার মনে খুব ভয় কাজ করতে থাকে কারন কাকি যদি কাউকে বলে দেন এই জন্য। তো ঘণ্টা খানেক পর কাকি আবার
আমার রুমে আসলেন। আমি কাকিকে দেখে খুব ভয় পেয়ে গেলাম।কারন কাকির চেহারায় তখন রাগান্বিত ভাব ছিল। কাকি এসেআমাকে বললেন। কাকি”আমি তোমাকে খুব ভালো জানতাম কিন্তু তুমি যে এত ছোট মনের টা আমার জানা ছিল না।“ আমিঃ”কেন আমি আবার কি করলাম?”কাকি”তুমি কি করেছ তুমি জান না। আমি তোমার কাছে মেমোরি লোড করতে দিলাম আর তুমি কিনা……আমি কিন্তু তোমার মায়ের কাছে সব বলে দিব।“ আমিঃ”আমার ভুল হয়ে গেছে কাকি। আপনি কাউকে কিছু বলবেন না।
আপনি এখন আমাকে যা বলবেন আমি তাই করব।আপনি মায়ের কাছে কিছু বলবেন না।“ কাকি”আমি যা বলব তুমি তাই করবে?” আমিঃ”হ্যাঁ, আপনি যা বলবেন আমি তাই করব।“ কাকি ”বেশ, তাহলে তোমার শার্ট, লুঙ্গি সব খুলে ফেল।“ কাকির কথা শুনে আমি খুব খুশি হলাম না। কারন তার মনে কি আছে আমি জানিনা। আমি বললাম,”কেন খুলব কেন?” কাকি”আমি বহু আগে থেকে জানি তুমি আমার প্রতি দুর্বল।আর তুমি তো জানই তোমার কাকা আজ প্রায় ৬ বছর দেশের বাইরে।এই ৬ বছর আমি কিযে কষ্টে আছি তা তোমাকে বুঝাতে পারব না। অনেকদিনধরি আমি তোমাকে দিয়ে করাব বলে ভাবছি কিন্তু কোন সুযোগ পাচ্ছিনা।তাই আজ যখন পেলাম তখন তা হাতছাড়া করবনা।“ আমি সবকিছু বুঝার পরও খুশি হয়ে কাকিকে জিজ্ঞেস করলাম,”কি করাবেন?” কাকি”ন্যাকা,এখন কিছু বুঝে না। প্যান্ট খোল নইলে আমি তোমার মাকে ডাকবো।“ আমি তাড়াতাড়ি আমার প্যান্ট খুলে কাকির সামনে ন্যাংটা হয়ে দাঁড়ালাম।
কাকি আমার ধনের দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থেকে বললেন,”ওমা,আইটা কি বানিয়েছ তুমি?এইটা তো অনেক বড়। এইটা দিয়ে চোদালে অনেক মজা পাব। তোরটাতো তো ভালোলাগলে লাইক দিয়ে জানান পরের টুক লেখবো

No comments:

Post a Comment